কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে স্বামী রাকিবুল হাসান সুজনের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে নাটোর জেলার তরুণী মোছা: মারুফা খাতুন।
তরুনীর স্বামী সুজন উপজেলার চর লরেন্স ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের কন্ট্রাকটর গোজের আবু তাহেরের ছেলে।
সে ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারী) দুপুরে ভুক্তভোগী মারুফা বিয়ের কাবিননামা সহ ওই বাড়িতে অবস্থান নেন।
সে নাটোর জেলার গৌরিপুর উপজেলার লালপুর গ্রামের ফারুক আলীর মেয়ে। গৌরিপুর উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ থেকে সে এ বছর এইচএসসি পাস করেন।
এ ঘটনায় ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং খবরটি ছড়িয়ে পড়লে তরুণীকে দেখতে এলাকার উৎসুক নারী-পুরুষ ওই বাড়িতে জড়ো হয়।
ভুক্তভোগী মারুফা জানান, গত বছরের সেপ্টেম্বরের ২৯ তারিখে সুজন তাকে বিয়ে করে। এরপর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ৩ মাস ঢাকার একটি ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রী হিসেবে তাদের সংসার হয়। এর আগে ইশ্বরদিতে সুজনের চাকরির সুবাদে তাদের পরিচয় হয়।
ডিসেম্বরের ২৭ তারিখে তরুনী অনার্সে ভর্তির কার্যক্রমের জন্য তার এলাকায় যায়। এরপর থেকে তার স্বামী সুজন তার সাথে যোগাযোগ কমিয়ে দেয়।
মারুফা খাতুন বলেন, জানুয়ারির ২০ তারিখ থেকে হঠাৎ করে সুজনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাই।যোগাযোগের আর কোন মাধ্যম না থাকায় বাধ্য হয়ে আমি এখন তার বাড়িতে অবস্থান নিয়েছি।
তিনি বলেন, সুজন আমার স্বামী, আমি তার বিবাহিত স্ত্রী। আমি সুজনের বাড়িতে থাকবো।তাকে ছাড়া আমি বাঁচবোনা।
সুজনের বাবা আবু তাহের বলেন, মারুফা আমাদের বাড়িতে উঠেছে।আমার ছেলে সুজন তাকে বিয়ে করেছে সে বলেছে।ছেলে এখন বাড়িতে নেই,সে ঢাকায় চাকরি করছে।তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, তরুণী স্ত্রীর স্বীকৃতি না দিলে এবং তার কাছে বিয়ের প্রমানাদি থাকলে তাকে আইনগত সহায়তা দেওয়া হবে।

১৬.৭২°সে
