কমলনগর (লক্ষ্মীপুর):
মেঘনা নদীর বুকে গড়ে ওঠা নতুন চর একদিকে যেমন সাধারণ কৃষকের মুখে হাসি ফুটিয়েছে, ঠিক তেমনি আরেকদিকে সেই হাসির মাঝে দেখা দিচ্ছে উদ্বেগ ও হতাশা। চরের উর্বর জমিতে চাষাবাদ শুরু করেছেন অনেক কৃষক। ধান ও বিভিন্ন শাকসবজি চাষ করে তারা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছেন।
কিন্তু এই স্বপ্নে ছাই ঢালছে কিছু অসাধু মহিষ মালিক ও তাদের রাখালেরা। নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে তারা অসংখ্য মহিষ চরাতে ছেড়ে দিচ্ছে কৃষকের ধানক্ষেতে। ফলস্বরূপ, কৃষকের দীর্ঘ পরিশ্রমের ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে একের পর এক। চাষাবাদের মৌসুমে এই ধরনের কর্মকাণ্ড কৃষকদের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় এক কৃষক জানান, “আমরা বহু কষ্ট করে এই চরে জমি বানিয়ে ধান লাগাইছি। কিন্তু কিছু লোক ইচ্ছা করে মহিষ দিয়া এই ধান নষ্ট কইরা দিতেছে। বললেও শুনে না।”
আরেকজন বলেন, “আমরা গরিব মানুষ। এই জমি আমাদের একমাত্র ভরসা। প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে আমরা টিকতে পারবো না।”
এ বিষয়ে কমলনগর উপজেলা প্রশাসনের সুস্পষ্ট দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে।
চরের ফসল রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, মহিষ মালিকদের নিয়মের আওতায় আনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি।
কমলনগরের মানুষের দাবি—চরের সম্ভাবনাকে টিকিয়ে রাখতে হলে কৃষককে রক্ষা করতে হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

১৯.২৯°সে
